1. pratidinbangladesh007@gmail.com : দৈনিক প্রতিদিন বাংলাদেশ : দৈনিক প্রতিদিন বাংলাদেশ
  2. info@www.doynikpratidinbangladesh.com : দৈনিক প্রতিদিন বাংলাদেশ : দৈনিক প্রতিদিন বাংলাদেশ
সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১২:৪৪ অপরাহ্ন
বিজ্ঞাপন :
🖋️ দৈনিক প্রতিদিন বাংলাদেশে সাংবাদিক নিয়োগ চলছে দেশজুড়ে প্রতিনিধি ও সংবাদকর্মী নিয়োগ দিচ্ছে দৈনিক প্রতিদিন বাংলাদেশ। সাংবাদিকতায় আগ্রহী, দায়িত্বশীল ও সংবাদ সংগ্রহে দক্ষ প্রার্থীদের আবেদন আহ্বান করা হচ্ছে। ✅ জেলা / উপজেলা প্রতিনিধি ✅ ক্যাম্পাস প্রতিনিধি ✅ অনলাইন নিউজ রিপোর্টার

‘না’ ভোটের পক্ষে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কর্মকর্তারা

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : বুধবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৪
  • ৬৬১ বার পঠিত

আরমান হোসেন খান,চীফ রিপোর্টারঃ
নতুন করে নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কারের প্রক্রিয়ায় ‘না ভোট’ বিধান চালুর প্রস্তাব দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ইসির কর্মকর্তাদের দাবি, এই বিধান নাগরিকদের ক্ষমতায়নকে সমর্থন করবে এবং প্রকৃত নেতৃত্ব বাছাইয়ের সুযোগ সৃষ্টি করবে।
ইসি কর্মকর্তারা নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের কাছে একটি লিখিত প্রস্তাবনা পাঠিয়েছেন, যেখানে ‘না ভোট’ প্রদানের সুবিধার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে। তাদের বক্তব্য, উন্নত গণতান্ত্রিক চর্চা প্রতিষ্ঠার জন্য ‘না ভোট’ এর বিধান জরুরি। প্রস্তাবনায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, যদি ‘না ভোট’ এর পরিমাণ সংখ্যাগরিষ্ঠ হয়, তাহলে পুনঃনির্বাচনের ব্যবস্থা নেয়া সম্ভব হবে।
ইসি কর্মকর্তাদের মতে, ‘না ভোট’ বিধান কার্যকর হলে রাজনৈতিক দলের দায়িত্ববোধ বাড়বে এবং প্রার্থীদের ওপর চাপ সৃষ্টি করবে, যার ফলে তারা তাদের নির্বাচনী প্রচারণা ও কাজের মান উন্নত করতে উৎসাহিত হবে। ভোটাররা যদি মনে করেন কোনো প্রার্থী যোগ্য নয়, তারা ‘না ভোট’ দিয়ে তাদের অসন্তুষ্টি প্রকাশ করতে পারবে। এই প্রক্রিয়া প্রার্থীদের দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানাবে এবং পরবর্তী নির্বাচনে তাদের কর্মকাণ্ডের মান বাড়ানোর জন্য চাপ তৈরি করবে।
বর্তমানে, ভোটারদের একটি প্রার্থী বাছাই করতে বাধ্য করা হয়, যা অনেক সময় তাদের জন্য একটি নিয়ন্ত্রিত গণতন্ত্রের রূপ নেয়। এতে প্রকৃত নেতৃত্ব নির্বাচনের পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়। ‘না ভোট’ বিধান চালু হলে ভোটাররা এই পরিস্থিতি থেকে মুক্তি পাবেন এবং প্রকৃত গণতান্ত্রিক চর্চার সুযোগ পাবেন।
নির্বাচন কমিশনের এই প্রস্তাব যদি বাস্তবায়িত হয়, তাহলে ভোটারদের জন্য একটি নতুন ধারার সূচনা হবে, যা তাদের নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় আরও সক্রিয় অংশ নেয়া নিশ্চিত করবে এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে শক্তিশালী করবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized BY LatestNews