সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ০৯:৫৫ পূর্বাহ্ন
প্রতিদিন ডেস্কঃ
অনেক টানাপোড়েন, দেনদরবার ও শেষ মুহূর্তে টানা বৈঠকের পর জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে ১০টি দল নির্বাচনি সমঝোতায় পৌঁছেছে। তবে এই উদ্যোগে শুরু থেকে যুক্ত থাকা ইসলামী আন্দোলন গত শুক্রবার ২৬৮ আসনে প্রার্থী ঘোষণা দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে সরে গেছে। যদিও দলটির জন্য ৪৭টি আসন ফাঁকা রেখে বাকি ২৫৩ আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়। তবে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন পর্যন্ত ইসলামী আন্দোলনের জন্য অপেক্ষা করবে জামায়াতসহ ১০-দলীয় জোট।
তারা না এলে এনসিপিসহ অন্য শরিকদের আসন বাড়বে। দলটির নেতারা ইতোমধ্যে জামায়াতকে আরও আসনের বিষয়টি জানিয়ে রেখেছেন। জোটের শীর্ষ নেতাদের সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
ঘোষিত নির্বাচনি সমঝোতা অনুযায়ী, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এককভাবে ১৭৯ আসনে প্রার্থী দিয়েছে।
বাকি আসনগুলোর মধ্যে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ৩০টি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ২০টি, খেলাফত মজলিস ১০টি, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) ৭টি, আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টি ৩টি, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি (বিডিপি) ও নেজামে ইসলাম পার্টি ২টি করে আসনে প্রার্থী দিয়েছে। এই নির্বাচনি মোর্চার অন্য দুটি দল বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন ও জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) কোনো প্রার্থী দেবে না। তবে দল দুটি নির্বাচনি ঐক্যে শরিক থাকছে। সমঝোতা অনুযায়ী ৪৭টি আসন ইসলামী আন্দোলনের জন্য রেখেছিল জোট শরিকরা।
এ বিষয়ে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি ও কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, এখন পর্যন্ত সিদ্ধান্ত হচ্ছে, শেষ সময় পর্যন্ত তাদের জন্য অপেক্ষা করবে ১০ দল। তবে শেষ পর্যন্ত তারা না এলে ফাঁকা রাখা ৪৭টি আসনে প্রার্থী দেওয়ার বিষয়টি চূড়ান্ত করবে দলগুলোর প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে গঠিত লিয়াজোঁ কমিটি। জোট সূত্রে জানা গেছে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটের দিন রেখে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগেই জামায়াতসহ সমমনা দলগুলো এক হয়ে সংখ্যানুপাতিক পদ্ধতির নির্বাচন এবং গণভোট আলাদা দিনে করার দাবিতে একজোট হয়ে যুগপৎ আন্দোলনে নেমেছিল। এরপর তারা একজোট হয়ে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্তও নেয়। কিন্তু আসন ভাগাভাগি নিয়ে ইসলামী আন্দোলনের সঙ্গে জামায়াতের টানাপোড়েন দেখা দেয়।