শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬, ১১:৪৪ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞাপন :
কোন পণ্য বা সেবার জন্য বিজ্ঞাপন তৈরি করতে চান? আপনি যদি বিজ্ঞাপন তৈরি করতে আগ্রহী হন সুযোগ আছে জয়েন করুন।

সংশোধন হতে পারে গণভোট অধ্যাদেশ

আরমান হোসেন খান,চীফ রিপোর্টারঃ
সরকারি কর্মচারীরা যাতে হ্যাঁ ভোটের প্রচার চালাতে পারে– এই জন্য গণভোট অধ্যাদেশ সংশোধন করা হতে পারে। সরকারের দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, শিগগির এই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসতে পারে।

অন্তর্বর্তী সরকার এই অবস্থান নিলেও, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’-এর পক্ষে-বিপক্ষে প্রচার চালানো থেকে বিরত থাকতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নির্দেশনা কার্যকর করতে সব মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে সব মন্ত্রণালয়ে ইসির নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে।
নির্দেশনায় বলা হয়, আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো। এই নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়নের জন্য বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক (ডিসি), আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা, রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট অন্য কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার ইসি জানায়, গণভোট অধ্যাদেশ, ২০২৫-এর ধারা ২১ এবং গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও), ১৯৭২-এর ৮৬ ধারা অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োজিত কোনো ব্যক্তি গণভোট বিষয়ে জনগণকে কেবল অবহিত বা সচেতন করতে পারবেন। তবে তিনি কোনোভাবেই ‘হ্যাঁ’ অথবা ‘না’-এর পক্ষে ভোট প্রদানের আহ্বান জানাতে পারবেন না। সরকারি কর্মকর্তাদের এ ধরনের কর্মকাণ্ড গণভোটের ফলাফলকে সরাসরি প্রভাবিত করতে পারে। ফলে এটি গণভোট অধ্যাদেশ, ২০২৫-এর ধারা ২১ এবং আরপিও, ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ৮৬ অনুযায়ী একটি দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।
গত বছরের ৫ নভেম্বর জারি করা গণভোট অধ্যাদেশের ২১ ধারায় বলা হয়েছে, গণভোটে আরপিও এবং আচরণবিধি যতদূর সম্ভব প্রযোজ্য হবে। আচরণবিধির লঙ্ঘন হলে আরপিও অনুযায়ী সাজা হবে। আরপিওর ৮৬ ধারায় বলা হয়েছে, সরকারি কর্মচারীরা নির্বাচনের ফলাফল প্রভাবিত করতে পদমর্যাদার অপব্যবহার করলে ৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত