সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ০৯:৫২ পূর্বাহ্ন
প্রতিদিন ডেস্কঃ
চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে লাইটারেজ (পণ্য পরিবহনকারী ছোট জাহাজ) সংকটে আমদানিপণ্য নিয়ে আসা মাদার ভেসেল বা বড় জাহাজ থেকে পণ্য খালাস মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। পণ্য খালাসের অপেক্ষায় থাকা জাহাজের সংখ্যা ক্রমাগত বাড়ায় দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দরে দেখা দিয়েছে জাহাজ-জটের আশঙ্কা।
বহির্নোঙরে দীর্ঘ হচ্ছে আমদানি পণ্যবোঝাই বড় জাহাজের সারি। বাড়ছে গড় অপেক্ষমাণ সময়।
এতে উদ্বিগ্ন আমদানিকারকরা। অতিরিক্ত সময় বড় জাহাজের বন্দরে অবস্থানের কারণে বাড়ছে আমদানি-ব্যয়। যার প্রভাব পড়তে পারে রমজানের দ্রব্যমূল্যে। বর্তমানে রমজানকেন্দ্রিক পণ্যসহ বিভিন্ন ধরনের আমদানি পণ্যবোঝাই শতাধিক মাদার ভেসেল বহির্নোঙরে রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, রমজান সামনে রেখে ভোগ্যপণ্য নিয়ে একসঙ্গে অনেক মাদার ভেসেলের আগমন, বেশ কয়েকটি লাইটারেজে যান্ত্রিক ত্রুটি, বিভিন্ন ঘাট ও নৌরুটে পণ্য নিয়ে লাইটারেজ দিনের পর দিন বসে থাকা, বেশি ভাড়া পাওয়ার আশায় লাইটারেজের মোংলা বন্দরমুখী হওয়াসহ নানা কারণে এই সংকট তৈরি হয়েছে।
সূত্রমতে, চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে আসা খাদ্যশস্য, সার, চিনি, সিমেন্ট ক্লিংকারসহ আমদানি পণ্যের ৭০-৭৫ শতাংশ (বাল্ক কোর্গো) খালাস হয় বহির্নোঙরে। বাকিগুলো হয় বন্দরের জেটিতে। মাদার ভেসেল বা বড় আকারের সমুদ্রগামী জাহাজ সাধারণত বহির্নোঙরে অবস্থান করে।
এসব জাহাজ থেকে অভ্যন্তরীণ নৌরুটে চলাচলকারী ছোট জাহাজে পণ্য বোঝাই করে দেশের বিভিন্ন স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়।