বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ০৮:২৭ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞাপন :
কোন পণ্য বা সেবার জন্য বিজ্ঞাপন তৈরি করতে চান? আপনি যদি বিজ্ঞাপন তৈরি করতে আগ্রহী হন সুযোগ আছে জয়েন করুন।
সংবাদ শিরোনাম
ইরানে সরকার পতন হচ্ছে না, ‘হার মেনে নিয়েছে’ ইসরায়েল◾রয়টার্সের প্রতিবেদন ইরানে ‘আঘাতের মতো আর কিছু নেই’, যুদ্ধ ‘শিগগিরই’ শেষ হবে◾ট্রাম্প শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হতে ‘শিক্ষাগত যোগ্যতা লাগবে না’ যাত্রা করছে অনেক চমকের সংসদ জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা বাড়ছে, দুই দিনের গ্যাস মজুদ আছে যুক্তরাজ্যে ইরান ইস্যুতে পেন্টাগনের তহবিল আটকে দেওয়ার হুমকি ডেমোক্র্যাটদের দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া চলছে ওসমান হাদির হত্যাকারীদের ইরানে ঝরছে ‘কালো তেলমিশ্রিত’ বৃষ্টি নেতানিয়াহুর সঙ্গে আমিরাতের প্রেসিডেন্টের বিরল ফোনালাপ ‘ড্রোন হামলা ইস্যুতে’ ইরান থেকে কূটনীতিকদের ফিরিয়ে নিচ্ছে আজারবাইজান

ইরানে সরকার পতন হচ্ছে না, ‘হার মেনে নিয়েছে’ ইসরায়েল◾রয়টার্সের প্রতিবেদন

প্রতিদিন ডেস্কঃ
ইরানের ধর্মীয় নেতৃত্বাধীন সরকারকে সামরিক শক্তির জোরে উৎখাত করা সম্ভব—এমন দৃঢ় অবস্থান থেকে এবার পিছু হটতে শুরু করেছে ইসরায়েল। যুদ্ধের মাধ্যমে দেশটিতে সরকার পরিবর্তনের যে লক্ষ্য তেল আবিব ও ওয়াশিংটন নির্ধারণ করেছিল, বাস্তবে তার প্রতিফলন না ঘটায় পর্দার আড়ালে নিজেদের ‘অসহায়ত্ব’ স্বীকার করে নিচ্ছেন ইসরায়েলি কর্মকর্তারা।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে একজন জ্যেষ্ঠ ইসরায়েলি কর্মকর্তা জানিয়েছেন, চলমান ভয়াবহ বোমাবর্ষণের মধ্যেও ইরানে কোনো ধরনের গণ-অভ্যুত্থানের লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ অভিযানে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ শীর্ষ সামরিক কমান্ডারদের মৃত্যু এবং ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির পরও দেশটির অভ্যন্তরীণ সমীকরণ পাল্টায়নি।

হামলার শুরুর দিকে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু দাবি করেছিলেন, এই সামরিক পদক্ষেপ ইরানি জনগণকে তাদের ভাগ্য নিজেদের হাতে নেওয়ার পরিবেশ তৈরি করে দেবে। তবে গত মঙ্গলবার দেওয়া বিবৃতিতে তার কণ্ঠে সুর নরম হতে দেখা গেছে। তিনি এখন বলছেন, ইসরায়েলের কাজ কেবল ‘সহায়তা করা’, কিন্তু চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে ইরানি জনগণ।
বিশ্লেষকদের মতে, নেতানিয়াহুর এই পরিবর্তিত বক্তব্য আসলে ইরানে নিকট ভবিষ্যতে কোনো অভ্যুত্থান না হওয়ার বাস্তবতারই বহিঃপ্রকাশ।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও এই যুদ্ধ দ্রুত শেষ করার ইঙ্গিত দিয়েছেন। তবে ইসরায়েলি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের মতে, ওয়াশিংটন এখনো সংঘাত থামানোর মতো চূড়ান্ত কোনো অবস্থানে পৌঁছাতে পারেনি।

যদিও যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল আশা করেছিল যে হামলার ফলে সৃষ্ট অস্থিরতায় সাধারণ মানুষ রাজপথে নেমে আসবে, কিন্তু অর্থনৈতিক সংকট সত্ত্বেও জাতীয় ক্রান্তিলগ্নে ইরানিরা বর্তমান শাসকদের পক্ষেই অবস্থান নিচ্ছেন। ফলে সামরিক সাফল্য সত্ত্বেও রাজনৈতিক লক্ষ্য অর্জনে ইসরায়েল এখন খেই হারিয়ে ফেলছে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত