বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৪০ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞাপন :
কোন পণ্য বা সেবার জন্য বিজ্ঞাপন তৈরি করতে চান? আপনি যদি বিজ্ঞাপন তৈরি করতে আগ্রহী হন সুযোগ আছে জয়েন করুন।
সংবাদ শিরোনাম
এমপিদের শুল্কমুক্ত গাড়ি আমদানির সুবিধা বাতিল করে বিল পাস হরমুজ প্রণালীতে রাশিয়ার মতো ‘বন্ধুপ্রতিম’ দেশগুলোর শুল্ক মওকুফ ইরানের লোডশেডিং চার হাজার মেগাওয়াট ছাড়াল যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় অংশগ্রহণে ইরানের সাড়া মেলেনি◾পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করলেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জ্বালানি সংকট◾সপ্তাহে ২ দিন হাইকোর্টের বিচারকাজ চলবে ভার্চুয়ালি চলতি বছর শেষে স্থানীয় সরকার নির্বাচন হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি উন্মুক্ত, ঘোষণা ইরানের লেবাননে যুদ্ধবিরতি কার্যকরের এক ঘণ্টারও কম সময়ে লঙ্ঘনের অভিযোগ

ভারতে চিকিৎসা: বহু বাংলাদেশির কিডনি চুরি

আরমান হোসেন খানঃ
উন্নত চিকিৎসার আশায় বাংলাদেশ থেকে বহু মানুষ প্রতিদিন চিকিৎসা নিতে ভারতে যান। কম খরচে ভালো সেবা পেতেই দেশটিতে যান বাংলাদেশিরা। এর মধ্যে অনেকেই প্রতারিত হন বিভিন্ন দালালের মাধ্যমে। আবার কেউ কেউ অভিযোগ তোলেন হাসপাতাল কিংবা চিকিৎসকের ওপর। তবে, সম্প্রতি এক ঘটনায় ভারতে চিকিৎসার ব্যাপারে শঙ্কা তৈরি হয়েছে বাংলাদেশি রোগীদের মধ্যে।

অপারেশনের নামে অন্তত ১৫ থেকে ১৬ জন ব্যক্তির কিডনি চুরির অভিযোগে নয়াদিল্লি-ভিত্তিক ইন্দ্রপ্রস্থ অ্যাপোলো হাসপাতালের এক চিকিৎসককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। খবর ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের।

মঙ্গলবার (৯ জুলাই) ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশ ও ভারতের কিডনি পাচার চক্রের সঙ্গে জড়িতের অভিযোগে নয়াদিল্লি-ভিত্তিক ইন্দ্রপ্রস্থ অ্যাপোলো হাসপাতালের এক নারী চিকিৎসককে গ্রেপ্তার করেছে দিল্লি পুলিশ। ৫০ বছর বয়সী ওই চিকিৎসকের নাম ডা. বিজয়া কুমার।

প্রতিবেদনে বলা হয়, অ্যাপোলো হাসপাতালের ওই নারী চিকিৎসক নয়াদিল্লি সংলগ্ন নয়ডা শহরে ‘যথার্থ’ নামের একটি হাসপাতালে অপারেশনের নামে অন্তত ১৫ থেকে ১৬ জন ব্যক্তির কিডনি সরিয়েছেন। তিনি ‘যথার্থ’ হাসপাতালের ভিজিটিং কনসালটেন্ট ও সার্জন ছিলেন।

অভিযোগ রয়েছে যাদের কিডনি সরিয়েছেন, তাদের অধিকাংশই বাংলাদেশের নাগরিক। ২০২১ থেকে ২০২৩ সালের বিভিন্ন সময়ের মধ্যে এসব অপারেশন করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়।

দিল্লি পুলিশের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সক্রিয় এই চক্র মধ্যবর্তী ব্যক্তি বা দালালদের মাধ্যমে দরিদ্র বাংলাদেশিদের অর্থের লোভ দেখিয়ে নয়াদিল্লির আশপাশের কিছু হাসপাতালে নিয়ে আসত। সেসব হাসপাতালে চক্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকরা বাংলাদেশিদের কিডনি অপসারণ করতেন।

দিল্লিতে একাধিক কিডনি পাচারকারী চক্র সক্রিয়। সেই চক্রের সঙ্গে জড়িত গত মাসে এমন তিন বাংলাদেশি নাগরিককেও গ্রেপ্তার করে দিল্লি পুলিশ।

বিশ্বের অধিকাংশ দেশের মতো ভারতেও অর্থের বিনিময়ে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ বিক্রি করা নিষিদ্ধ এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ। তবে, কোনো ব্যক্তি স্বেচ্ছায় কাউকে যদি কিডনি বা অন্য কোনো প্রত্যঙ্গ দিতে চান, তাহলে তা বৈধ।

চক্রটি দিল্লিতে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশনের সিলমোহর নকল করে ডোনারের জাল অনুমতিপত্র তৈরি করত।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত