রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ০৩:৩৪ অপরাহ্ন

বিজ্ঞাপন :
কোন পণ্য বা সেবার জন্য বিজ্ঞাপন তৈরি করতে চান? আপনি যদি বিজ্ঞাপন তৈরি করতে আগ্রহী হন সুযোগ আছে জয়েন করুন।
সংবাদ শিরোনাম
জ্বালানি তেলের রেশনিং প্রত্যাহার হচ্ছে রোববার সিঙ্গাপুর নেওয়া হচ্ছে মির্জা আব্বাসকে মধ্য ইসরায়েলের ৩ স্থানে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত কঠোর প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতার ইরানে সরকার পতন হচ্ছে না, ‘হার মেনে নিয়েছে’ ইসরায়েল◾রয়টার্সের প্রতিবেদন ইরানে ‘আঘাতের মতো আর কিছু নেই’, যুদ্ধ ‘শিগগিরই’ শেষ হবে◾ট্রাম্প শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হতে ‘শিক্ষাগত যোগ্যতা লাগবে না’ যাত্রা করছে অনেক চমকের সংসদ জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা বাড়ছে, দুই দিনের গ্যাস মজুদ আছে যুক্তরাজ্যে ইরান ইস্যুতে পেন্টাগনের তহবিল আটকে দেওয়ার হুমকি ডেমোক্র্যাটদের

‘না’ ভোটের পক্ষে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কর্মকর্তারা

আরমান হোসেন খান,চীফ রিপোর্টারঃ
নতুন করে নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কারের প্রক্রিয়ায় ‘না ভোট’ বিধান চালুর প্রস্তাব দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ইসির কর্মকর্তাদের দাবি, এই বিধান নাগরিকদের ক্ষমতায়নকে সমর্থন করবে এবং প্রকৃত নেতৃত্ব বাছাইয়ের সুযোগ সৃষ্টি করবে।
ইসি কর্মকর্তারা নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের কাছে একটি লিখিত প্রস্তাবনা পাঠিয়েছেন, যেখানে ‘না ভোট’ প্রদানের সুবিধার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে। তাদের বক্তব্য, উন্নত গণতান্ত্রিক চর্চা প্রতিষ্ঠার জন্য ‘না ভোট’ এর বিধান জরুরি। প্রস্তাবনায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, যদি ‘না ভোট’ এর পরিমাণ সংখ্যাগরিষ্ঠ হয়, তাহলে পুনঃনির্বাচনের ব্যবস্থা নেয়া সম্ভব হবে।
ইসি কর্মকর্তাদের মতে, ‘না ভোট’ বিধান কার্যকর হলে রাজনৈতিক দলের দায়িত্ববোধ বাড়বে এবং প্রার্থীদের ওপর চাপ সৃষ্টি করবে, যার ফলে তারা তাদের নির্বাচনী প্রচারণা ও কাজের মান উন্নত করতে উৎসাহিত হবে। ভোটাররা যদি মনে করেন কোনো প্রার্থী যোগ্য নয়, তারা ‘না ভোট’ দিয়ে তাদের অসন্তুষ্টি প্রকাশ করতে পারবে। এই প্রক্রিয়া প্রার্থীদের দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানাবে এবং পরবর্তী নির্বাচনে তাদের কর্মকাণ্ডের মান বাড়ানোর জন্য চাপ তৈরি করবে।
বর্তমানে, ভোটারদের একটি প্রার্থী বাছাই করতে বাধ্য করা হয়, যা অনেক সময় তাদের জন্য একটি নিয়ন্ত্রিত গণতন্ত্রের রূপ নেয়। এতে প্রকৃত নেতৃত্ব নির্বাচনের পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়। ‘না ভোট’ বিধান চালু হলে ভোটাররা এই পরিস্থিতি থেকে মুক্তি পাবেন এবং প্রকৃত গণতান্ত্রিক চর্চার সুযোগ পাবেন।
নির্বাচন কমিশনের এই প্রস্তাব যদি বাস্তবায়িত হয়, তাহলে ভোটারদের জন্য একটি নতুন ধারার সূচনা হবে, যা তাদের নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় আরও সক্রিয় অংশ নেয়া নিশ্চিত করবে এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে শক্তিশালী করবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত