বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ০২:২৫ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞাপন :
কোন পণ্য বা সেবার জন্য বিজ্ঞাপন তৈরি করতে চান? আপনি যদি বিজ্ঞাপন তৈরি করতে আগ্রহী হন সুযোগ আছে জয়েন করুন।
সংবাদ শিরোনাম
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কমিটির সভাপতি হতে ন্যূনতম যোগ্যতা স্নাতক পাস, পরিপত্র জারি সিরিজ জয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন জ্বালানি তেলের রেশনিং প্রত্যাহার হচ্ছে রোববার সিঙ্গাপুর নেওয়া হচ্ছে মির্জা আব্বাসকে মধ্য ইসরায়েলের ৩ স্থানে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত কঠোর প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতার ইরানে সরকার পতন হচ্ছে না, ‘হার মেনে নিয়েছে’ ইসরায়েল◾রয়টার্সের প্রতিবেদন ইরানে ‘আঘাতের মতো আর কিছু নেই’, যুদ্ধ ‘শিগগিরই’ শেষ হবে◾ট্রাম্প শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হতে ‘শিক্ষাগত যোগ্যতা লাগবে না’ যাত্রা করছে অনেক চমকের সংসদ

দোহার উপজেলা হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডাঃ জসিমের যতো অনিয়ম:

দোহার নবাবগঞ্জ প্রতিনিধি:
ঢাকার দোহার উপজেলা হাসপাতালের ডাঃ জসিমের অনিয়ম আর দুর্নীতি নিয়ে ফুসে উঠতেছে জনগন। সুদির্ঘ ২০ বছরের অধিক সময় ধরে এই হসপিটালের দায়িত্বে বসে আছেন এই ডা: জসিম। অথচ সরকারি চাকরি বিধি অনুযায়ী প্রতি তিনবছর পর পর কর্মস্হল হতে বদলীর বিধান থাকলেও জসিমের বেলায় যেন সেটা কেতাবে আছে খুতিতে নাই অবস্থা। একজন বিসিএস ক্যাডার অফিসার আইনের প্রতি তোয়াক্কা নাকরে তিনি বিগত সরকারের এমপি সালমান এফ রহমানের সাথে সব ধরনের রাজনৈতিক কর্মসুচিতে সরব থাকতেন। হসপিটালটাকে তিনি আওয়ামীলীগের অফিস বানিয়ে ফেলেছিলেন। সাধারন ডাক্তারা তার এহেন কর্মকান্ডের সাথে জড়িত হতে আপত্তি জানালে তিনি তাদের বদলি সহ নানা রকম শাম্তিমুলক ব্যাবস্হা নিতেন। ডাঃ জসিম হসপিটালের খাবারের টেন্ডার বেনামে নিজেই পরিচালনা করেন। নিজে একজন সরকারি ডাক্তার হয়েও হসপিটালের গেটে প্রাইভেট ক্লিনিক( ল্যাব কেয়ার) পরিচালনা করে যাচ্ছেন। করোনার সার্টিফিকেট যেটা ১০ টাকা দিয়ে পাওয়ার কথা সেটা কৌশলে তিনি ৩০০ টাকা দিয়ে মানুষকে নিতে বাধ্য করাতেন তার মনোনিত ফটোকপির দোকান থেকে। টাকার বিনিময়ে তিনি আউটসোর্সিংয়ের ১১ জন লোক নিয়োগ দিয়ে ছিলেন যাদের অনেকেই তার নিকট আত্মীয়। অভিযোগ আছে উপজেলার সকল ডাক্তারতের তিনি মৌখিক নির্দেশনা দিয়েছেন যেন তার ক্লিনিক ছাড়া অন্য কোন ক্লিনিকে কোন টেষ্ট না পাঠানো হয়। সিজারের রুগী জোড় করে তার ক্লিনিকে ভর্তির অভিযোগ হরহামেশাই পাওয়া যায়। করোনাকালীন সময়ে সরকারের অনুমতি ছাড়াই নিজের ইচ্ছে মতো ৯৮ লক্ষ টাকার করোনার ঔষধ সহ অন্যান্য সামগ্রী কেনাকাটায় তার নামে ঢাকা জেলা সিভিল সার্জন অফিস থেকে অনিয়মের অভিযোগ তোলা হয়। কিন্তু সকরারি দলের সরাসরি হস্তক্ষেপে সেই অভিযোগ হালে পানি পায়নি। আওয়ামীসরকারের পতনের পরে এই চতুর ডাঃ জসিম এখন ভোল পাল্টে বিএনপি সাজার নাটক করে যাচ্ছে। ডাঃ জসিমের দ্বারা নির্যাচিত একাধিক ডাক্তার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তারা অবিলম্বে তাকে দোহার থেকে দ্রুত অপসারনের পাশাপাশি তার বিরুদ্ধে বিচার বিভাগীয় তদন্ত চায়। সরেজমিনে খোজ নিয়ে জানা গেছে দোহার উপজেলার জনসাধারণ ডাঃ জসিমের অনিয়ম আর দুর্নিতির বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠতেছে। তাকে যদি দ্রুত দোহার উপজেলা হাসপাতাল থেকে অপসারন নাকরা হয় যে কোন সময় একটা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে যেতে পারে।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত