বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ১২:৩৪ অপরাহ্ন

বিজ্ঞাপন :
কোন পণ্য বা সেবার জন্য বিজ্ঞাপন তৈরি করতে চান? আপনি যদি বিজ্ঞাপন তৈরি করতে আগ্রহী হন সুযোগ আছে জয়েন করুন।
সংবাদ শিরোনাম
ইরানে সরকার পতন হচ্ছে না, ‘হার মেনে নিয়েছে’ ইসরায়েল◾রয়টার্সের প্রতিবেদন ইরানে ‘আঘাতের মতো আর কিছু নেই’, যুদ্ধ ‘শিগগিরই’ শেষ হবে◾ট্রাম্প শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হতে ‘শিক্ষাগত যোগ্যতা লাগবে না’ যাত্রা করছে অনেক চমকের সংসদ জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা বাড়ছে, দুই দিনের গ্যাস মজুদ আছে যুক্তরাজ্যে ইরান ইস্যুতে পেন্টাগনের তহবিল আটকে দেওয়ার হুমকি ডেমোক্র্যাটদের দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া চলছে ওসমান হাদির হত্যাকারীদের ইরানে ঝরছে ‘কালো তেলমিশ্রিত’ বৃষ্টি নেতানিয়াহুর সঙ্গে আমিরাতের প্রেসিডেন্টের বিরল ফোনালাপ ‘ড্রোন হামলা ইস্যুতে’ ইরান থেকে কূটনীতিকদের ফিরিয়ে নিচ্ছে আজারবাইজান

জানুয়ারিতে পাঁচ শৈত্যপ্রবাহ

প্রতিদিন ডেস্কঃ
জানুয়ারি মাস বাংলাদেশের আবহাওয়া-জলবায়ুর নিরিখে শীতলতম মাস। প্রবাদ আছে- ‘মাঘের শীতে বাঘ পালায়’! চলতি জানুয়ারি (পৌষ-মাঘ) মাসে সারা দেশে চার থেকে পাঁচটি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। এর মধ্যে এক বা দুটি হতে পারে তীব্র ধরনের শৈত্যপ্রবাহ। তীব্র শৈত্যপ্রবাহের সময়ে তাপমাত্রার পারদ নেমে যেতে পারে ৪ থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।

মৃদু শৈত্যপ্রবাহের সময়ে তাপমাত্রা থাকবে ৮ থেকে ১০ ডিগ্রি এবং মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহে তাপমাত্রা থাকবে ৬ থেকে ৮ ডিগ্রি সে. পর্যন্ত। এ সময়ে দেশের উল্লেখযোগ্য এলাকায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে। গাঢ় কুয়াশা রাত ও সকাল পেরিয়ে দিনের বেশিরভাগ সময়ে অব্যাহত থাকতে পারে। এতে করে তীব্র ঠা-া আবহাওয়া অসহনীয় পর্যায়ে পৌঁছানোর শঙ্কা করা হচ্ছে।

আবহাওয়া বিভাগের দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে গতকাল চলতি মাসের উপরোক্ত পূর্বাভাস পাওয়া গেছে। দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাস প্রদানের জন্য গঠিত বিশেষজ্ঞ কমিটির বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন কমিটির চেয়ারম্যান ও আবহাওয়া অধিদপ্তরের (বিএমডি) পরিচালক মো. মমিনুল ইসলাম।
এদিকে বর্তমানে দেশের বিভিন্ন এলাকাওয়ারি মৃদু শৈত্যপ্রবাহ এবং ঘন থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা অব্যাহত রয়েছে। বিশেষ করে দীর্ঘক্ষণ ধরে ঘন কুয়াশার কারণে শীতের অনুভূতি বৃদ্ধি পাচ্ছে। কমেছে রোদের তেজ। গতকাল শনিবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল রাজশাহী, পাবনা ও নওগাঁয় ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। রাজধানী ঢাকার তাপমাত্রা ছিল সর্বনিম্ন ১২.৫ এবং সর্বোচ্চ ২১ ডিগ্রি সে.। দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল টেকনাফে ২৬.৮ ডিগ্রি সে.।

এদিকে চলতি জানুয়ারি মাসে দিনে ও রাতে স্বাভাবিক তাপমাত্রা বিরাজ করতে পারে। দেশে সার্বিকভাবে মৌসুমের এ সময়ের নিরিখে ‘স্বাভাবিক’ বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। তবে গেল ডিসেম্বর মাসে (অগ্রহায়ণ-পৌষ) মৌসুমের এ সময়ের স্বাভাবিকের চেয়ে প্রায় ৯৪ শতাংশই কম বৃষ্টি হয়েছে। দেশের বেশিরভাগ জায়গায় বলতে গেলে হয়নি ছিটেফোঁটা কোনো বৃষ্টিপাত। চলতি মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৩১ ডিসেম্বর গোপালগঞ্জে ৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সে.।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত